+8801718-188138
Image
  • 5
  • Feb
  • 2019

তেলাপোকার সমস্যা কিভাবে আপনার বাসা বাড়ি থেকে তেলাপোকা দূর করবেন?

তেলাপোকা এক ধরণের কীটপতঙ্গ তেলাপোকা এক ধরনের ক্ষতিকর পোকা তেলাপোকা অনেক প্রাচীন একটি কীট যারা 350 কোটি বছর আগে পৃথিবীতে আবির্ভাব করেছে সম্ভবত এমন কোন ঘর বা বাসা নেই যেখানে এদের দেখা মিলবে না যাবতীয় ময়লা আবর্জনা অন্ধকারে এরা সহজে অভিযোজিত হতে পারে বলেই তারা এত বছর ধরে টিকে আছে তেলাপোকার বিরক্তিকর স্বভাবের জন্যই এদেরকে পেস্ট হিসেবে গণ্য করা হয় তেলাপোকা আমাদের শরীর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন কি এই তেলাপোকার বিষক্রিয়া তে অনেক সময় মানুষ মারাও যেতে পারে. তেলাপোকা মানবজাতির জন্য এক ভয়াবহ যন্ত্রণার বিষয়

তেলাপোকা যেসব ক্ষতি করে

স্বাস্থ্যের ক্ষতি: তেলাপোকাকে ঘৃণা করেন না এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে। কিন্তু এরা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে পৃথিবীতে তাদের অস্তিত্বের জানান দিয়ে আসছে। সরু পাইপ, ফ্রিজের কোনায়, রান্না ঘরের চিপাচাপায় একাকি বা দলবদ্ধভাবে বাস করে। তবে এরা দলবদ্ধভাবে থাকতে পছন্দ করে। সুযোগ পেলেই খাবারকে দূষিত করে। সেই দূষিত খাবার খেলে ডায়রিয়া সহ অনেক স্বাস্থ্যহানিকর রোগ হতে পারে।

 

খাদ্যের বিষক্রিয়া: তেলাপোকার দ্বারা খাদ্যে বিষক্রিয়া হতে পারে। এর দ্বারা টাইফয়েড রোগ হতে পারে।

 

এলার্জি: তেলাপোকার মুখ নিঃসৃত লালার মাধ্যমে এলার্জি হতে পারে। এর ফলে সর্দি, চোখ দিয়ে পানি পড়া চুলকানি হতে পারে।

 

ব্যাকটেরিয়া ছড়ানো: তেলাপোকার লালারসের মাধ্যমে খাবারে ব্যাকটেরিয়া ছড়ায়। এই সকল ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দূষিত খাবার খেলে মানুষের পরিপাক তন্ত্রের সমস্যা হয়ে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে তেলাপোকা সিউডোমোনাস এরিজিনোসা (Pseudomonas aeriginosa) নামক ব্যাকটেরিয়ার বাহক। যা মানুষের মুত্রনালীর প্রদাহ, পরিপাকতন্ত্রের সংক্রমণ এবং সেপসিস করতে পারে।


হাঁপানি: তেলাপোকাকে হাঁপানির রোগীদের বড় শত্রু বলা যায়। এটি হাঁপানির রোগীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তেলাপোকার লালারসের সৃষ্ট এলার্জির মাধ্যমে এরা হাঁপানির রোগীদের ক্ষতি করে থাকে।


শরীরের নরম অংশ কাটা: তেলাপোকা হাত, পা, আঙ্গুল, ক্ষত স্থানের নরম টিস্যু কেটে ফেলতে পারে।

তেলাপোকা প্রতিরোধে করণীয়


তেলাপোকা,ঘরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই আজকে আপনাদের বলব কিভাবে ঘর থেকে দূর করবেন তেলাপোকা, টিপসটি ১০০% কার্যকরী, যা পরীক্ষিত। আপনারা এটি বাসায় চেষ্টা করে দেখলেই বুঝতে পারবেন, আসলে কতটা উপকারী। তেলাপোকা খুবই বিরক্তিকর একটি পোকা। তেলাপোকা নাই এমন বাসা খুজে পাওয়া মুশকিল। এটা খুবই নোংরা একটি পোকা যা আমাদের কিচেনে ঘুরে বেড়ায়। এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই তেলা পোকার হাত থেকে বাছার জন্য  টিপস বলব ঘরোয়া পদ্ধতির। যা থেকে আপনারা খুবই উপকার পাবেন।

পরিষ্কারপরিচ্ছন্নতা: যদি আপনি এই তেলাপোকাকে আপনার বাসায় দেখতে না চান তবে বাসা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। সপ্তাহে অন্তত একবার কক্ষ পরিষ্কার করুন। রাতে শোয়ার আগে রান্না ঘর পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। মনে রাখবেন ময়লা-আবর্জনা মানেই সেটা তেলাপোকার মজার পরিবেশ।

খাবার ঢেকে রাখা: খাবার সর্বদা ঢেকে রাখবেন। ঘরের কোন স্থানে পুরাতন পত্রিকা, কাগজপত্র জমিয়ে রাখবেন না। ফ্রিজের নিচ চারপাশ সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করবেন।

রোগ নিয়ন্ত্রণ: তেলাপোকার দ্বারা সৃষ্ট রোগ কমিয়ে নেয়ার জন্য আপনি ঘরের দেয়াল কিংবা মেঝেতে ফাটল থাকলে তা বন্ধ করে দিবেন।

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে সুখ-শান্তির জন্য শরীর সুস্থ রাখা জরুরী। আমাদের খাবার দূষিত হয়ে নানাবিধ জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। তেলাপোকার দ্বারা খাবার খুব সহজেই দূষিত হতে পারে। তাই তেলাপোকা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী।


এখন আমি আপনাদের আরোদুটি কার্যকরী উপায় বলবো সহজেই ঘর থেকে তেলাপোকা দূর করার জন্য:


টিপস প্রথমে আপনি সেবলন বা ডেটল যে কোন একটি নিবেন। আর লাগবে পানি। ২৫০ গ্রাম পানির জন্য চা চামচ সেভলন বা ডেটল নিবেন। পানির পরিমান কম বেশি নিলে সেভলনের পরিমানও কম বেশি নিবেন। এর পর পানি এবং সেভলন ভাল ভাবে মিলিয়ে একটি বোতলে নিবেন। ভাল ভাবে মিলানো টা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ন। কারণ ভালো ভাবে না মিশালে এটি কার্যকরী হবে না। তারপর বোতলের সাথে একটি স্পেরে মুখ লাগিয়ে স্প্রে করে দিবেন। যেখানে যেখানে তেলা পোকা বা ছার পোকা ঘুরে বেড়ায় সেখানে সেখানে স্প্রে করে দিবেন। মিনিটের মধ্যে তেলাপোকা মরে যাবে বা চলে যাবে। আর কখনও আসবে না। পর পর এক সপ্তাহর মত স্প্রে করলে দেখবেন আপনার ঘর পুরোপুরি তেলাপোকা মুক্ত হয়ে যাবে।


টিপস জন্য লাগবে শশা এবং পরিমান মত পানি। নরমাল পানি নিলেও হবে। প্রথমে আপনি শশাটা কেটে নিবেন রাউন্ড সেপ করে। খুব বেশি মোটা করে কাটবেন না। যাতে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করা যায় সে রকম করে পাতলা পাতলা কাটবেন। খোসা সহ কেটে নিবেন। খোসা ছিলানোর কোন দরকার নেই। এবার কুচানো শশা গুলো ব্লেন্ড করে নিতে হবে। আপনাদের কাছে যদি ব্লেন্ডার না থাকে তবে পাটায় খুব মিহি করে বেটে নিতে পারেন। একটা শশার জন্য টেবিল চামচ পানি নিয়ে ব্লেন্ড করে নিবেন খুবই মিহি করে। এরপর একটি ব্রাশ নিবেন।

ব্রাশে শশার পেস্ট লাগাবেন। যেখানে যেখানে তেলা পোকার উপদ্রব বেশি সেখানে সেখানে শশার পেস্ট লাগিয়ে নিবেন। তেলা পোকার উপদ্রব যত দিন বেশি থাকবে তত দিন লাগাবেন। উপদ্রব কমে গেলে কিছু দিন পর পর লাগালেও হবে। শশার পেস্ট বেশি ঘন আবার বেশি পাতলাও হতে পারবে না। লাগানোর পর যে পেস্ট বেছে যাবে সেটি আপনি একটি বক্সে ভরে নরমাল ফ্রিজে রেখে দিবেন। পরে আবার আপনি একই পদ্ধতিতে এই পেস্ট ব্যবহার করতে পারবেন। সবাই এটি বাসায় চেষ্টা করে দেখুন আর ঘর থেকে চিরতরে তেলাপোকা দূর করুন।

আপনি যদি এই সব করতে না পারেন অথবা এগুলো করেও আপনার বাসা থেকে তেলাপোকা যাচ্চে না. তাহলে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমরা যে কোনো বাসা বাড়ি থেকে চিরতরে তেলাপোকা নির্মূল করে থাকি।

আমরা যে কোনো বাসা বাড়ি থেকে চিরতরে তেলাপোকা নির্মূল করে থাকি গ্যারান্টি সহকারে.

আপনি আমাদের ওয়েবসাইট অথবা ফেইসবুক পেজ গিয়ে আমাদের সার্ভিস সম্পর্কে দেখতে পারেন আমরা ইতিমধ্যে প্রায় ১০০ এর উপরে বাড়িতে আমাদের সেবা প্রদান এবং ওই সব বাড়ি এখন আর কোনো তেলাপোকা নেই

এবং আমাদের প্রধান লক্ষ্য আমাদের ক্লায়েন্ট দের কীটপতঙ্গ থেকে রক্ষা করা আমাদের সেবা দেয়ার মাধ্যমে।

  

আমাদের প্রধান সেবা সমূহ:

 

  1.          রেন্ট কন্ট্রোল সেবা
  2.          তেলাপোকা নিয়ন্ত্রণ সেবা
  3.         টার্মাইট কন্ট্রোল সার্ভিস
  4.          বিছানা বাগ নিয়ন্ত্রণ সেবা
  5.          পিঁপড়া নিয়ন্ত্রণ সেবা
  6.          কনটেইনার সেবা

Leave A Comment